রাজ্যে দু’ জন নিপা আক্রান্তের হদিশ মিললো। সঙ্কটজনক অবস্থায় বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালের দুই নার্স আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন। এই সংক্রমণ সাধারণত বাদুড়ে ঠোকরানো ফল ও সেই ফলের রস থেকে ছড়ায়। আর খেজুর বাদুড়ের পছন্দের খাবার। তাই নবান্ন থেকে সোমবার সন্ধ্যায় সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী ও স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম ফল, ফলের রস ও আনাজ নিয়ে সতর্ক করেছেন। তাঁরা জানান, জনস্বাস্থ্যের এই জরুরি পরিস্থিতির উপর নজর রাখছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। কী ভাবে ওই দু’জন সংক্রমিত হলেন তা জানার চেষ্টা চলছে। সূত্রে খবর, বছর পঁচিশের ওই দুই নার্সের একজনের বাড়ি কাটোয়ায়, অন্য জন পুরুষ নার্সের বাড়ি নদিয়ায়। তবে কর্মসূত্রে দু’ জনেই বারাসতে ভাড়া থাকেন। এর মধ্যে সিস্টার-নার্স তাঁর পূর্ব বর্ধমানের বাড়িতে যাওয়ার পরে গত ৩১ ডিসেম্বর অসুস্থ হয়ে পড়েন। জ্বর-ডায়ারিয়া নিয়ে স্থানীয় চিকিৎসক দেখান। তবে লাভ হয়নি। ৩ জানুয়ারি তাঁকে কাটোয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও অচেতন অবস্থায় মেনিঞ্জাইটিস সন্দেহে পরের দিন রেফার করা হয় বর্ধমান মেডিক্যালে। সেখানে দু’ দিন আইসিইউ-তে ভর্তি থাকার পরে গত ৬ জানুয়ারি বারাসতের বেসরকারি হাসপাতালে আনা হয়। প্রায় একই সময়ে ব্রাদার-নার্সকেও ভর্তি করা হয় বারাসতের ওই হাসপাতালে। এ দিন ভার্চুয়াল সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যসচিব জানান, কন্ট্যাক্ট ট্রেসিংয়ের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। অর্থাৎ, যাঁরা ওই দুই আক্রান্তের সংস্পর্শে এসেছিলেন, তাঁদের খুঁজে বের করা হচ্ছে কোয়ারান্টিনে (আলাদা রাখা, যাতে অন্যদের সংস্পর্শে না আসেন) পাঠানোর জন্য। স্বাস্থ্যভবনের একটি সূত্রের দাবি, আপাতত ভেন্টিলেশনে থাকা ওই দুই রোগী যেহেতু বেশ কয়েকটি জায়গা ঘুরে এসেছেন, তাই কন্ট্যাক্ট ট্রেসিংয়ের কাজটিও দীর্ঘ এবং জটিল। এ দিনই বিকেলে কল্যাণী এইমস থেকে আসা রিপোর্টে ওই দু’ জনের সংক্রমণ সম্পর্কে নিশ্চিত হতেই আলোড়ন পড়ে যায় সরকারি স্বাস্থ্য মহলে। সংবাদসংস্থার দাবি, বিষয়টি জানার পরে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জগৎপ্রকাশ নাড্ডা ফোনে কথা বলে মুখ্যমন্ত্রীকে সব রকম কেন্দ্রীয় সাহায্য-সহ রাজ্যের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দেন। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিব পূণ্যসলিলা শ্রীবাস্তবও কথা বলেন মুখ্যসচিব ও স্বাস্থ্যসচিবের সঙ্গে।
राज्य में निपाह संक्रमितों के निशान मिले, संक्रमण से निपटने के लिए राज्य ने SOP तैयार किया