IPAC में ED की तलाशी के खिलाफ तृणमूल ने शाह के ऑफिस के सामने विरोध प्रदर्शन किया, दिल्ली पुलिस ने सांसदों को जेल वैन में घसीटा

তৃণমূলের পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাকের কলকাতা অফিসে বৃহস্পতিবার ইডির অভিযানকে ঘিরে শুক্রবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের দফতরের সামনে তৃণমূলের 8 সাংসদ ধর্নায় বসেন ৷ 40 মিনিট ধরে প্ল্যাকার্ড হাতে তাঁরা বিক্ষোভ দেখান ৷ খবর পেয়েই দিল্লি পুলিশ সেখানে পৌঁছয় ৷ তাঁদের জোর করে তোলার চেষ্টা করলে শুরু হয় ধস্তাধস্তি । মুহূর্তে উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায় । ডেরেক ও’ব্রায়েন, মহুয়া মৈত্র, কীর্তি আজাদ, বাপি হালদার, শতাব্দী রায়, সাকেত গোখলে, প্রতিমা মণ্ডল, শর্মিলা সরকার-সহ তৃণমূলের আট সাংসদ হাজির ছিলেন প্রতিবাদ-বিক্ষোভে । পুলিশ তুলতে এলে অমিত শাহের দফতরের সামনে শুয়ে পড়েন সাংসদ (মথুরাপুর) বাপি হালদার ৷ মহুয়া মৈত্র ও শতাব্দী রায়কে টেনে হিঁচড়ে প্রিজন ভ্যানে তোলা হয় ৷ পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়ান ডেরেক ও’ব্রায়েন ৷ তাঁকেও চ্যাংদোলা করে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় ৷ সাকেতকেও টেনে প্রিজন ভ্যানে তোলে পুলিশ । আপাতত তাঁদের পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে ৷ ধস্তাধস্তির সময় পুলিশের উদ্দেশে তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন বলেন, “আমাদের সাংসদদের গায়ে হাত দেবেন না । এখানে সাংসদদের সঙ্গে কী ঘটছে, তা আপনারা দেখতে পাচ্ছেন ।” এদিন তৃণমূলের আরেক সাংসদ মহুয়া মৈত্র বলেন, “আমরা বিজেপিকে পরাজিত করব । দিল্লি পুলিশ একজন নির্বাচিত সাংসদের সঙ্গে কেমন আচরণ করছে, তা দেশ দেখছে ।” ইডি অভিযানের প্রতিবাদে বীরভূমের সাংসদ শতাব্দী রায় বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকার নির্বাচনে জেতার জন্য তাদের তদন্তকারী সংস্থাগুলোকে পাঠায় । তারা গতকাল ইডির দল পাঠিয়েছে ৷ ভোটে শুধু জেতার জন্য নির্বাচনের সময় ইডি, সিবিআই-এর দল পাঠায়, কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ভরাডুবি হবেই ৷” তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদ বলেন, “ইডি ভুলভাবে অভিযান চালিয়েছে ৷ এটি অগণতান্ত্রিক উপায়ে নির্বাচনে জেতার একটি প্রচেষ্টা মাত্র । বিজেপি এই উপায়ে নির্বাচনে জিততে পারবে না ।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *